রথ চাইল্ড পরিবারের মালিকানাধীন The Economist এর ইলামুনাতি যোগসূত্রতা
মুলঃ আহমদ রফিক বারকি।
অনুবাদঃ মুহাম্মদ আইয়ুব হোসাইন
"The Economist Magazine" হলো রথ চাইল্ড পরিবারের মালিকানাধীন একটি বৈশ্বিক ম্যাগাজিন। এই ম্যাগাজিনের মাধ্যমে ইলুমিনাতি তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং আগাম বার্তা প্রকাশ করে থাকে।
এই ম্যাগাজিন বিশ্বের অর্থনীতি এবং বিভিন্ন অগ্রিম ইভেন্টের আগাম বার্তা দিয়ে থাকে। সবচেয়ে মজার বিষয় তাদের ভবিষ্যৎবানী গুলো খেটে যায়।
এবার আমরা ২০১৯ সালের ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিনের কাভার পেজে দেখবো তারা ২০১৯ সাল এবং আগামীর জন্য কি বার্তা দিয়েছে।
২০১৯ Economist Magazine এর সংস্করণ ছিলো এদের ৩৩ তম সংস্করণ। এই ৩৩ সংখ্যাটা ফ্রিম্যাসনরিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা। ২০১৯ সাল ছিলো লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি এর ৫০০ তম জন্মবার্ষিকী।
তাই ইলুমিনাতিদের কাছে এই সংখ্যাটা খুব গুরুত্ব বহন করে। ২০১৯ সালের ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিনের কাভার পেজ খেয়াল করলে দেখতে পারবেন বিভিন্ন স্কেচ। এর ভিতরে সবচেয়ে বড় স্কেচ নিয়ে আমরা কথা বলবো।
বড় স্কেচটি হলো একটি ভিট্রুভিয়ান ম্যান (Vitruvian Man) বা পারফেক্ট ম্যানের স্কেচ। এই স্কেচ আঁকেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি। এই পারফেক্ট ম্যানই হলো বর্তমান সমাজের এক একটা মানুষ।
ইলুমিনাতি বর্তমান সমাজের মানুষদেরকে ভিট্রুভিয়ান ম্যানের মতো দেখতে চাই। যে মানুষ বাস্তব জগত থেকে অনেক দূরে সরে ভার্চুয়াল জগত নিয়ে মেতে থাকবে।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের এক হাতে আছে গাজা। ইলুমিনাতি চায় বর্তমান সমাজের মধ্যে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকাসক্তে আসক্ত করে রাখতে , যাতে করে তরুণ প্রজন্ম তাদের চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলে। ইতিমধ্যে আমেরিকায় গাঁজা চাষ এবং গাঁজা সেবন বৈধতা পেয়েছে।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের অপর হাতে আছে বেস বল বা ক্রিকেট বল। এটা থেকে বোঝা যায় ইলুমিনাতি মানুষকে ক্রিকেট তথা স্পোর্টস নিয়ে মাতামাতি করবে এবং একইসাথে চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলবে।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের অন্য হাতে আছে স্মার্টফোন। স্মার্টফোন এর সাথে সোশ্যাল মিডিয়া মিলে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় সবই মগ্ন। মানুষ অনেক বেশি ভার্চুয়াল দুনিয়া নির্ভর হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন এর ভিতরে একটা QR code আছে।
এটাও ভার্চুয়াল দুনিয়ার সিম্বল। কোন পণ্য কেনাকাটা বা কোন নিউজ পড়তে এই QR Code scan করতে হয়। QR code এর মাধ্যমে মানুষের ব্যাক্তিগত তথ্য বিভিন্ন Remote Server এ পাচার করে নিচ্ছে ইলুমিনাতি।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের অপর হাতে আছে সাম্য ও ন্যায়ের প্রতীক, কিন্তু সেটা অসামঞ্জস্য। এটা থেকে বোঝা যায় কোথাও ন্যায় থাকবে না, সবর্দা অন্যায় বিরাজ করবে। চারিদিকে অন্যায়ের রাজত্ব কায়েম হবে। চারিদিকে অন্যায় রাজ করবে।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের বাম বুকে 'Me Too' মুভমেন্টের কথা লেখা আছে। আমরা সকলেই অবহিত আছি গত বছরে সারা বিশ্বে Me Too মুভমেন্টের কথা। মি টু মুভমেন্টের জন্য হলিউড এবং বলিউড নড়ে গিয়েছিলো।
ইলুমিনাতি পূর্ব থেকে প্লান করে আমাদের দুর্গন্ধে নিক্ষেপ করছে, আর আমরা অন্ধের মতো সেই আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ হচ্ছি।
ইলুমিনাতি আমাদের চিন্তাশক্তি কেড়ে নিয়ে লুসিফার বা ইবলিশের রাজত্ব কায়েম করতে চাচ্ছে।
ইলুমিনাতি ঠিক করে দিচ্ছে আগামীতে এই পৃথিবীতে কি ঘটবে এবং ঠিক করে দিচ্ছে মানুষের মুভমেন্ট।
অনুবাদঃ মুহাম্মদ আইয়ুব হোসাইন
"The Economist Magazine" হলো রথ চাইল্ড পরিবারের মালিকানাধীন একটি বৈশ্বিক ম্যাগাজিন। এই ম্যাগাজিনের মাধ্যমে ইলুমিনাতি তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং আগাম বার্তা প্রকাশ করে থাকে।
এই ম্যাগাজিন বিশ্বের অর্থনীতি এবং বিভিন্ন অগ্রিম ইভেন্টের আগাম বার্তা দিয়ে থাকে। সবচেয়ে মজার বিষয় তাদের ভবিষ্যৎবানী গুলো খেটে যায়।
এবার আমরা ২০১৯ সালের ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিনের কাভার পেজে দেখবো তারা ২০১৯ সাল এবং আগামীর জন্য কি বার্তা দিয়েছে।
২০১৯ Economist Magazine এর সংস্করণ ছিলো এদের ৩৩ তম সংস্করণ। এই ৩৩ সংখ্যাটা ফ্রিম্যাসনরিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা। ২০১৯ সাল ছিলো লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি এর ৫০০ তম জন্মবার্ষিকী।
তাই ইলুমিনাতিদের কাছে এই সংখ্যাটা খুব গুরুত্ব বহন করে। ২০১৯ সালের ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিনের কাভার পেজ খেয়াল করলে দেখতে পারবেন বিভিন্ন স্কেচ। এর ভিতরে সবচেয়ে বড় স্কেচ নিয়ে আমরা কথা বলবো।
বড় স্কেচটি হলো একটি ভিট্রুভিয়ান ম্যান (Vitruvian Man) বা পারফেক্ট ম্যানের স্কেচ। এই স্কেচ আঁকেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি। এই পারফেক্ট ম্যানই হলো বর্তমান সমাজের এক একটা মানুষ।
ইলুমিনাতি বর্তমান সমাজের মানুষদেরকে ভিট্রুভিয়ান ম্যানের মতো দেখতে চাই। যে মানুষ বাস্তব জগত থেকে অনেক দূরে সরে ভার্চুয়াল জগত নিয়ে মেতে থাকবে।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের এক হাতে আছে গাজা। ইলুমিনাতি চায় বর্তমান সমাজের মধ্যে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকাসক্তে আসক্ত করে রাখতে , যাতে করে তরুণ প্রজন্ম তাদের চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলে। ইতিমধ্যে আমেরিকায় গাঁজা চাষ এবং গাঁজা সেবন বৈধতা পেয়েছে।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের অপর হাতে আছে বেস বল বা ক্রিকেট বল। এটা থেকে বোঝা যায় ইলুমিনাতি মানুষকে ক্রিকেট তথা স্পোর্টস নিয়ে মাতামাতি করবে এবং একইসাথে চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলবে।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের অন্য হাতে আছে স্মার্টফোন। স্মার্টফোন এর সাথে সোশ্যাল মিডিয়া মিলে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় সবই মগ্ন। মানুষ অনেক বেশি ভার্চুয়াল দুনিয়া নির্ভর হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন এর ভিতরে একটা QR code আছে।
এটাও ভার্চুয়াল দুনিয়ার সিম্বল। কোন পণ্য কেনাকাটা বা কোন নিউজ পড়তে এই QR Code scan করতে হয়। QR code এর মাধ্যমে মানুষের ব্যাক্তিগত তথ্য বিভিন্ন Remote Server এ পাচার করে নিচ্ছে ইলুমিনাতি।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের অপর হাতে আছে সাম্য ও ন্যায়ের প্রতীক, কিন্তু সেটা অসামঞ্জস্য। এটা থেকে বোঝা যায় কোথাও ন্যায় থাকবে না, সবর্দা অন্যায় বিরাজ করবে। চারিদিকে অন্যায়ের রাজত্ব কায়েম হবে। চারিদিকে অন্যায় রাজ করবে।
ভিট্রুভিয়ান ম্যানের বাম বুকে 'Me Too' মুভমেন্টের কথা লেখা আছে। আমরা সকলেই অবহিত আছি গত বছরে সারা বিশ্বে Me Too মুভমেন্টের কথা। মি টু মুভমেন্টের জন্য হলিউড এবং বলিউড নড়ে গিয়েছিলো।
ইলুমিনাতি পূর্ব থেকে প্লান করে আমাদের দুর্গন্ধে নিক্ষেপ করছে, আর আমরা অন্ধের মতো সেই আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ হচ্ছি।
ইলুমিনাতি আমাদের চিন্তাশক্তি কেড়ে নিয়ে লুসিফার বা ইবলিশের রাজত্ব কায়েম করতে চাচ্ছে।
ইলুমিনাতি ঠিক করে দিচ্ছে আগামীতে এই পৃথিবীতে কি ঘটবে এবং ঠিক করে দিচ্ছে মানুষের মুভমেন্ট।
No comments